• ৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩, মঙ্গলবার ১৯ মে ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Ram Mandir

দেশ

‘দূরত্ব’ জল্পনায় ফুলস্টপ? রামলালার সামনে একসঙ্গে আরতি করলেন মোদী-ভগবত

সেজে উঠেছে রামনগরী। মঙ্গলবার রাম মন্দিরে ধ্বজা উত্তোলনের জন্য সকাল থেকেই অযোধ্যায় মানুষের ঢল। ঠিক সময়মতো সকাল সাড়ে দশটা নাগাদ পৌঁছে গেলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। বিমানবন্দর থেকে সরাসরি রাম মন্দিরে গিয়ে যোগ দিলেন পুজোর কাজে। তাঁর পাশেই দেখা গেল রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘের সরসঙ্ঘচালক মোহন ভগবতকে। দুজনে পাশাপাশি হেঁটে মন্দির চত্বরে ঢুকলেন, তারপর রামলালার সামনে দাঁড়িয়ে একসঙ্গে করলেন আরতি। এই দৃশ্যেই নতুন করে সরগরম রাজনীতি।কারণ, বাংলায় ২৬ তারিখ ভোট। তার পরের দিনেই উত্তরপ্রদেশে নির্বাচন। লোকসভা ভোটে উত্তরপ্রদেশে ধাক্কা খেয়েছিল গেরুয়া শিবির। সেই ক্ষত মেরামত করতে মোদীভগবতকে একই মঞ্চে দেখা যাওয়া যে নির্বাচনী দিক থেকে বিরাট তাৎপর্যপূর্ণ, তা বলছেন রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞদের একাংশ। অনেকদিন ধরেই শোনা যাচ্ছিল বিজেপি এবং সঙ্ঘ পরিবারের মধ্যে দূরত্ব তৈরি হয়েছে। বয়সের সীমা, মেয়াদকাল নিয়ে মতবিরোধএসব নিয়ে বারবার শিরোনামে এসেছিল দুই পক্ষের সম্পর্ক। এমনকি বাংলায় বিজেপির ফলাফলও নাকি সঙ্ঘকে অসন্তুষ্ট করেছিল। সেই প্রেক্ষিতে রাম মন্দিরে একই মঞ্চে মোদীভগবতের উপস্থিতি দূরত্ব ঘোচানোর ইঙ্গিত হিসেবেই দেখা হচ্ছে। এই ছবি নির্বাচনের আগে গেরুয়া শিবিরের ঐক্যকে আরও উজ্জ্বল করে তুলবে বলেই ধারণা রাজনৈতিক মহলের।অযোধ্যায় এদিন উৎসবের আবহ। ভোর থেকেই রাস্তায় নেমেছেন সাধারাণ মানুষ। রাম মন্দিরে ধ্বজা উত্তোলন দেখতে এসেছেন লক্ষাধিক দর্শনার্থী। পাশাপাশি রাম মন্দির ট্রাস্টের আমন্ত্রণে উপস্থিত হতে চলেছেন প্রায় ৭ হাজার বিশিষ্ট অতিথিনেতা-মন্ত্রী, গবেষক, দাতা, শিল্পপতিকাদেরই নেই সেই তালিকায়। স্থানীয় সূত্র জানিয়েছে, মঙ্গলবার ধ্বজা উত্তোলনের জন্য ১১টা ৪৮ মিনিট থেকে ১২টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত সময়কে শুভক্ষণ হিসেবে নির্ধারণ করা হয়েছে। এই সময়ের মধ্যেই গেরুয়া ধ্বজা উত্তোলন করবেন প্রধানমন্ত্রী মোদী।এত আয়োজনের মাঝেই উঠেছে এক প্রশ্নহঠাৎ এই ধ্বজা উত্তোলনের তাৎপর্য কী? রাম মন্দির নির্মাণ কমিটির বক্তব্য, এই মুহূর্তটিই নির্মাণ কাজের আনুষ্ঠানিক সমাপ্তি ঘোষণা করবে। যদিও বাস্তবে মন্দির চত্বরে কিছু ক্ষুদ্র কাজ এখনো বাকি, তবুও ধ্বজা উত্তোলনের মধ্য দিয়েই মন্দিরের পূর্ণতা উদযাপন করা হবে।অযোধ্যায় এখন আক্ষরিক অর্থেই উৎসব। আর তার কেন্দ্রে দাঁড়িয়ে দেশের রাজনৈতিক সমীকরণে নতুন অধ্যায়ের ইঙ্গিত রেখে গেলেন মোদী ও ভগবতএকই ফ্রেমে, একই মঞ্চে, রামলালার সামনে।

নভেম্বর ২৫, ২০২৫
দেশ

রাম মন্দিরে ভিড়ের ঢল, মোদীর দাবি—‘আজ ভারতের সাংস্কৃতিক পুনরুজ্জীবনের দিন’

অবশেষে ক্ষত সারল। রাম মন্দিরে ধ্বজা উত্তোলনের ঠিক পরেই এমনই দাবি করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। অযোধ্যার পবিত্র ভূমিতে দাঁড়িয়ে তাঁর সুরে মিশে ছিল ঐতিহাসিক গর্ব, রাজনৈতিক ইঙ্গিত এবং সাংস্কৃতিক উচ্ছ্বাস। ৫০০ বছরের আন্দোলন, লড়াই, রক্তপাত আর অপেক্ষার পর মঙ্গলবার যেটি ঘটল, তাকে প্রধানমন্ত্রী দেশের সাংস্কৃতিক পুনর্জাগরণের নতুন অধ্যায় বলে ব্যাখ্যা করলেন।মঙ্গলবার বেলা ১১টা ৪৮ মিনিটে উত্তোলন হয় রাম মন্দিরের গেরুয়া ধ্বজা। অযোধ্যায় তখন মানুষের ঢল। রাস্তায়, ঘাটে, মন্দিরপ্রাঙ্গণেদেখার মতো ভিড়। শুধু সাধারণ মানুষ নন, উপস্থিত ছিলেন প্রায় ৭ হাজার বিশেষ অতিথি। এমন অনুষ্ঠানকে জীবনের গর্বের মুহূর্ত বলেই উল্লেখ করেন মোদী। তাঁর কথায়,আজ অযোধ্যা ভারতের সাংস্কৃতিক চেতনার চূড়ায় পৌঁছল। প্রতিটি রামভক্তের কাছে আজকের দিন অসীম তৃপ্তির।ভাষণের একাধিক জায়গায় প্রধানমন্ত্রী অযোধ্যাকে তুলনা করেন রাম রাজ্য-র সঙ্গে। তাঁর দাবি, দেশের ভেতরেও এখন সেই রামরাজ্যের নীতি ও আদর্শ নতুন করে প্রতিষ্ঠিত হবে। ধ্বজার গেরুয়া রঙকে তিনি ব্যাখ্যা করেন সূর্যের আলো ও ধর্মের প্রতীক হিসেবে। ধ্বজায় থাকা ওঁম এবং কোভিদার গাছকেও তিনি রাম রাজ্যের প্রতীক বলেই উল্লেখ করেন।সবচেয়ে নজর কাড়ে মোদীর স্লোগান। বিজেপি শিবিরে বছরের পর বছর ধরে জয় শ্রীরামই পরিচিত। কিন্তু ধ্বজা উত্তোলনের পর প্রধানমন্ত্রী উচ্চারণ করেনজয় সিয়ারাম।অযোধ্যাবাসীর প্রচলিত সংস্কৃতিকে সম্মান জানাতেই এমন স্লোগান, দাবি স্থানীয়দের একাংশের। তবে রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এই উচ্চারণের মধ্যেও থাকতে পারে নরম সুরে সামাজিক বার্তা ছড়িয়ে দেওয়ার চেষ্টা।এই ভাষণে সম্পূর্ণ রাজনীতি নেইএমনটা ভাবা কঠিন। তাই প্রত্যাশিত ভাবেই মোদীর কথায় উঠে আসে কংগ্রেসের প্রসঙ্গ। স্বাধীনতার পর রাজনীতিতে বিদেশপ্রীতি এবং দাসত্বের মানসিকতা তৈরি হয়েছিল বলেও মন্তব্য করেন তিনি। তাঁর দাবি,স্বাধীনতা পেলাম বিকৃত রূপে। বিদেশি ব্যবস্থা ভালো, স্বদেশি নয়এ বিশ্বাস থেকেই দাসত্বের যুগ শুরু হয়। কিন্তু সত্যি কথা হলভারতই গণতন্ত্রের জনক।এই বক্তব্যের পরেই রাজনৈতিক মহলে প্রশ্ন বেড়েছেরাম মন্দিরের ঐতিহাসিক অনুষ্ঠান কি তবে নির্বাচনী বার্তার মঞ্চ হয়ে উঠল? মন্দিরের গেরুয়া ধ্বজা কি শুধুই ধর্মীয় প্রতীক, নাকি তার আড়ালে লুকিয়ে রয়েছে ভবিষ্যৎ রাজনীতির পথরেখা?অযোধ্যায় এখনো উচ্ছ্বাস থামেনি। তবে মোদীর ক্ষত সারল মন্তব্যএটি কি বাবরি মসজিদ ঘটনাকে সূক্ষ্মভাবে উস্কে দিল? সেই প্রশ্নে ইতিমধ্যেই শুরু হয়ে গেছে নতুন বিতর্ক।

নভেম্বর ২৫, ২০২৫
রাজ্য

রামমন্দিরকে কেন্দ্র করে এ কি কান্ড করলেন দুর্গাপুরের যুবক! চারদিকে শোরগোল

অযোধ্যায় মন্দিরের উদ্বোধন আগামী সোমবার। রামলালার জন্য বিভিন্ন রাজ্য থেকে এসে পৌঁছচ্ছে বিভিন্ন রকমের উপহার। আগামী ২২ জানুয়ারি প্রাণ প্রতিষ্ঠা হবে রামলালার। তার আগে গোটা দেশ রামমন্দির নিয়ে নানা কান্ড চলছে। এদিকে দুর্গাপুরের এক যুবকের কান্ড রীতিমতো শোরগোল ফেলে দিয়েছে।দুর্গাপুরের যুবক ছোটন ঘোষ মনু। বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন প্রজেক্ট তৈরি করে তিনি শহরবাসীকে অবাক করেছেন। চন্দ্রযান সফল অভিযানের পর তিনি বানিয়েছিলেন চন্দ্রযানের রেপ্লিকা। উড়িয়েছিলেন দুর্গাপুরের আকাশে। আবার দশ সিটের বাইক বানিয়ে তিনি চমকে দিয়েছিলেন সকলকে। আর এবার তিনি বানিয়েছেন রাম মন্দিরের রেপ্লিকা। অযোধ্যার রাম মন্দির তিনি কার্যত তুলে এনেছেন দুর্গাপুরের বুকে। অযোধ্যায় রাম মন্দির দেখার আগে শহরে বসেই রাম মন্দির দর্শনের সুযোগ হচ্ছে শহরবাসীর।ছোটন ঘোষ বলছেন, বিস্কুট দিয়ে তিনি এই রাম মন্দিরের রেপ্লিকা তৈরি করেছেন। রাম মন্দিরের এই রেপ্লিকাটি তৈরি করতে তিনি ব্যবহার করেছেন কুড়ি কেজি বিস্কুট। ৪ ফুট বাই ৪ ফুটের এই রাম মন্দিরের রেপ্লিকা তৈরি করতে তার সময় লেগেছে পাঁচ দিন। তিনি এবং তার সহযোগীরা সকলের মিলে এই রেপ্লিকারটি তৈরি করেছেন। বিস্কুট ছাড়াও এই মডেলটি তৈরি করতে ব্যবহার করা হয়েছে থার্মোকল, প্লাইউড, গ্লু-গান ইত্যাদি।শহরের যুবকের এমন কাণ্ড দেখে সকলেই রীতিমত অবাক হয়ে গিয়েছেন। একইসঙ্গে তার এই প্রচেষ্টাকে কুর্নিশ জানিয়েছেন প্রতিবেশী সহ শহরবাসী। তারা বলছেন, ছোটন ঘোষ বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে নিজের প্রচেষ্টা তুলে ধরার চেষ্টা করেন। শহরের নামকে তিনি আরও উজ্জ্বল করছেন। রাম মন্দির নিয়ে মানুষ যখন খুব উৎসাহী, তখনই তিনি রাম মন্দির তৈরি করে চমকে দিয়েছেন। তিনি যথাসাধ্য চেষ্টা করেছেন অযোধ্যার অনুকরণে রাম মন্দিরকে দুর্গাপুরের বুকে তুলে ধরার।

জানুয়ারি ১৯, ২০২৪
রাজ্য

আদালতে টিকল না শুভেন্দুর আবেদন, রামমন্দির উদ্বোধনের দিন পথে মমতা

হাইকোর্টে টিকল না বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর বিরোধিতা। অযোধ্যার রামমন্দিরে রামলালার প্রাণ প্রতিষ্ঠার দিন কলকাতায় তৃণমূলের সংহতি যাত্রার অনুমতি দিল কলকাতা হাইকোর্ট। আগামী ২২ জানুয়ারি, হাজরা থেকে পার্ক সার্কাস পর্যন্ত মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে তৃণমূলের সংহতি মিছিল হবে। তবে বৃহস্পতিবারের শুনানিতে হাইকোর্টে জানিয়েছে, সুশৃঙ্খলভা ভাবে এই মিছিল করতে হবে। ধর্মীয় ভাবাবেগে আঘাত করে কোন মন্তব্য করা যাবে না।এছাড়াও একাধিক সতর্কতা মূলক কথা বলেছে আদালত। প্রাধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চের সতর্কবার্তা, এই ধরনের মিছিলের ক্ষেত্রে ট্রাফিকের সমস্যা হতে পারে, আটকে পড়তে পারে অ্যাম্বুল্যান্স। এই বিষয়গুলি সংশ্লিষ্ট দল ও রাজ্য সরকারকে তৎপর হতে হবে।শুভেন্দু অধিকারী কেন্দ্রীয় বাহিনীর তত্ত্বাবধানে যে মিছিলের আর্জি জানিয়েছিলেন, তাও খারিজ করে দিয়েছে ডিভিশন বেঞ্চ। ডিভিশন বেঞ্চ নির্দেশে উল্লেখ করেছে যে, অঘটন ঘটলে সংশ্লিষ্ট দলের (তৃণমূল) উপর দায় বর্তাবে। আদালতের রায় লঙ্ঘন করলে যেকোনও ব্যক্তিই দায়ী হতে পারেন।২২ জানুয়ারি অযোধ্যায় রাম মন্দির উদ্বোধন। সেদিনই বাংলায় সংহতি যাত্রার ডাক দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কলকাতা ছাড়াও ব্লকে ব্লকে ওই মিছিল করার কথা বলা হয়েছে। সেই মিছিল নিয়ে আপত্তি জানিয়ে কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। ওই দিন আইনশৃঙ্খলার স্বার্থে রাজ্যে কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েনের দাবিও জানান তিনি। মুখ্যমন্ত্রীর কর্মসূচি পিছিয়ে দেওয়ার আর্জি জানান বিরোধী দলনেতা। কিন্তু তাঁর আবেদন খারিজ করল হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতির বেঞ্চ।২২ জানুয়ারি সংহতি যাত্রার অনুমতি মেলার পর তৃণমূল মুখপাত্র কুণাল ঘোষ বলেছেন, এই নির্দেশ আসলে শুভেন্দুর গালে আদালতের থাপ্পড়। কেন্দ্রীয় বাহিনী প্রয়োজন নেই। রাজ্য পুলিশই যথেষ্ট। শুভেন্দুরা বিভেদ চেয়েছিল। আদালত ওদের গালে কষিয়ে থাপ্পড় মেরেছে। বাংলায় শান্তি-সম্প্রীতির মিছিল হবে।

জানুয়ারি ১৮, ২০২৪
রাজ্য

রামমন্দিরের উদ্বোধনে তো যাবেন না, ওই দিন বাংলায় বিশেষ কর্মসূচি ঘোষণা মমতার

রামমন্দিরে রামলালার প্রাণ প্রতিষ্ঠার জন্য অযোধ্যাজুড়ে চলছে চূড়ান্ত প্রস্তুতিপর্ব। ২২ জানুয়ারি হবে উদ্বোধন হবে বহু প্রতিক্ষিত রাম মন্দিরের। ওই অনুষ্ঠাণে যাবেন না বলেই আগেই জানিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তবে রামমন্দির উদ্বোধনের দিনই রাজ্যে তৃণমূল কংগ্রেসের বিশেষ কর্মসূচির ঘোষণা করলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। নবান্ন থেকে মুখ্যমন্ত্রী ঘোষণা করলেন, আগামী ২২ জানুয়ারী কলকাতায় তৃণমূল সম্প্রীতি মিছিল করবে। যার নেতৃত্বে থাকবেন খোদ মুখ্যমন্ত্রী। শুধু কলকাতাতেই নয়, ব্লকে ব্লকে, জেলায় জেলায়ও কর্মসূচি পালনের নির্দেশ দিয়েছেন তৃণমূল সুপ্রিমো।মঙ্গলবার বিকেলে নবান্নে সাংবাদিক বৈঠক করেন মুখ্যমন্ত্রী। শুরুতেই রামমন্দিরের উদ্বোধন নিয়ে বলেন, রামের প্রাণ প্রতিষ্ঠা আমাদের কাজ নয়, তাহলে আমি অযোধ্যায় গিয়ে কী করব? আমাদের কাজ পরিকাঠামো নির্মাণ করা, আমি সেই কাজই করে যাব।এরপরই কেন্দ্রের বিরুদ্ধে চড়া সুরে তোপ দাগলেন মমতা। সম্প্রসারণের জন্য রেল দক্ষিণেশ্বর স্কাইওয়াক ভেঙে দিতে বলেছে রাজ্যকে। যা নিয়ে এদিন মমতা ক্ষোভ প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, ওই স্কাইওয়াক আমার মনের মণিমুক্ত। রক্ত থাকতে আমি ওটা ভাঙতে দেব না। পাশাপাশি মেট্রোর জন্য বডিগার্ড লাইনের জমি চাওয়ায় রেলকে এদিন তুলোধনা করেছেন মুখ্যমন্ত্রী। রেলের আবেদন নাকচ করে দিয়েছে রাজ্য সরকার।মন্দির নিয়ে প্রশ্ন করলে তিনি যে বিরক্ত হন তা-ও বুঝিয়ে দেন তৃণমূল নেত্রী। মমতা বলেন, আপনারা মন্দির নিয়ে বার বার প্রশ্ন করছেন আমাকে। আমার এ নিয়ে কিছু বলার নেই। আমি বার বার বলি, ধর্ম যার যার নিজের, উৎসব সকলের। আমরা ২৩ জানুয়ারি, ২৬ জানুয়ারি পালন করি। ২২ জানুয়ারি একটি মিছিল করব আমি, দলের প্রোগ্রাম। নিজে একটা মিছিল করব আমি। প্রথমে নিজে কালীমন্দিরে যাব। সবাই যাবে না। আমি যাব। সেখানে মায়ের কাছে পুজো দিয়ে হাজরা থেকে সর্বধর্মের মানুষকে নিয়ে মিছিল করে পার্ক সার্কাস ময়দানে গিয়ে সভা করব। মা কালীকে ছুঁয়ে, মন্দির, মসজিদ, গুরুদ্বার, ওখানে অনেক গির্জাও রয়েছে, সব ছুঁয়ে যাব, সকলকে নিয়ে এই সভা করব। তৃণমূলের সভা, তবে শুভান্যুধায়ী, সাধারণ মানুষও এই সংহতি মিছিলে আসতে পারেন। প্রত্যেক জেলার ব্লকে ব্লকে বেলা ৩টেয় সম্প্রীতি মিছিল হবে।রামমন্দিরের উদ্বোধনের এটা পাল্টা কর্মসূচি নয় বলেও জানিয়ে দিয়েছেন মমতা। তৃণমূল নেত্রী বলেন, কোনও পাল্টা মিছিল করছি না, কোনও প্রতিবাদ করছি না। আমি সাধু-সন্তদের মানি। তাঁদের কথা শুনছি। এ ব্যাপারে একটাই কথা বলতে পারি, ধর্ম যার যার নিজের, উৎসব সকলের। আমি সর্বধর্ম সমন্বয় করছি কারণ, তার পরদিনই নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুর জন্মদিন। সেটাও ব্লকে ব্লকে পালিত হবে। আমি বরাবরের মতো নেতাজি মূর্তির সামনে থাকব।

জানুয়ারি ১৬, ২০২৪

ট্রেন্ডিং

কলকাতা

হঠাৎ ইডি দফতরে হাজির, রাতেই গ্রেফতার সোনা পাপ্পু

দীর্ঘ সাড়ে তিন মাস লুকিয়ে থাকার পর অবশেষে ইডির হাতে গ্রেফতার হলেন সোনা পাপ্পু ওরফে বিশ্বজিৎ পোদ্দার। সোমবার হঠাৎই কলকাতার ইডি দফতরে হাজিরা দেন তিনি। প্রায় সাড়ে দশ ঘণ্টা জিজ্ঞাসাবাদের পর তাঁকে গ্রেফতার করে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট।এর আগে একাধিকবার তলব করা হলেও হাজিরা এড়িয়ে গিয়েছিলেন সোনা পাপ্পু। জানা গিয়েছে, অন্তত ছবার ইডির নোটিস উপেক্ষা করেছিলেন তিনি। তবে সোমবার সকালে ইডি দফতরে পৌঁছে তিনি দাবি করেন, কোনও অন্যায় করেননি। এমনকি তাঁর বিরুদ্ধে থানায় তোলাবাজির কোনও অভিযোগ নেই বলেও মন্তব্য করেন।গত ১ ফেব্রুয়ারি ঢাকুরিয়ার কাঁকুলিয়া রোডে এলাকা দখলকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা ছড়ায়। স্থানীয়দের দাবি, সেই সময় গুলিও চলেছিল। ওই ঘটনার পর থেকেই আলোচনায় আসে সোনা পাপ্পুর নাম। কিন্তু ঘটনার পর থেকেই কার্যত উধাও হয়ে যান তিনি। পুলিশ দীর্ঘদিন খোঁজ চালিয়েও তাঁর হদিশ পায়নি। যদিও মাঝেমধ্যেই নিজের সমাজমাধ্যমে ভিডিও বার্তা দিতে দেখা গিয়েছিল তাঁকে।তদন্তে উঠে আসে জমি দখল, বেআইনি নির্মাণ এবং প্রতারণার অভিযোগ। এই মামলার তদন্তে নামে ইডি। তদন্ত চলাকালীন সোনা পাপ্পুর ঘনিষ্ঠ ব্যবসায়ী জল কামদারকে গ্রেফতার করা হয়। পরে গ্রেফতার হন কলকাতা পুলিশের আধিকারিক শান্তনু সিনহা বিশ্বাসও। তদন্তকারীদের দাবি, এই দুই অভিযুক্তের সঙ্গে সোনা পাপ্পুর ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ ছিল।এদিকে তদন্তের সময় একাধিক তৃণমূল নেতার সঙ্গে সোনা পাপ্পুর ছবি প্রকাশ্যে আসে। প্রাক্তন বিধায়ক দেবাশিস কুমারের সঙ্গেও তাঁর ছবি নিয়ে রাজনৈতিক মহলে জোর চর্চা শুরু হয়।সোমবার আচমকাই ইডি দফতরে হাজির হয়ে যান সোনা পাপ্পু। দীর্ঘ জেরার পর রাতেই তাঁকে গ্রেফতার করা হয়। এখন তাঁকে আদালতে তুলে হেফাজতে নেওয়ার আবেদন জানাতে পারে ইডি।

মে ১৮, ২০২৬
কলকাতা

ভবানীপুর থেকেই মমতার রাজনীতির শেষের বার্তা? বিস্ফোরক শুভেন্দু

ভোটের পর ভবানীপুরে ধন্যবাদ জ্ঞাপন সভা করতে গিয়ে প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে তীব্র আক্রমণ করলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। সোমবার ভবানীপুরের ৬৩ নম্বর ওয়ার্ডে সভা করেন তিনি। সেখান থেকেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে কটাক্ষ করে শুভেন্দু বলেন, গত ১৫ বছরে ভবানীপুরের মানুষ জানতেন না একজন বিধায়কের কাজ কী।শুভেন্দু অধিকারীর দাবি, এতদিন ভবানীপুরে ভয়ের পরিবেশ তৈরি হয়েছিল। এবার মানুষ বুঝতে পারবেন একজন বিধায়ক কীভাবে কাজ করেন। তিনি বলেন, এখন ভবানীপুরের মানুষের ভাই বিধায়ক হয়েছেন। আগামী এক মাসের মধ্যে ভবানীপুরের ৮টি ওয়ার্ডের মধ্যে ৭টিতে বিধায়ক অফিস খোলা হবে বলেও ঘোষণা করেন তিনি।একইসঙ্গে এলাকার মানুষকে আশ্বস্ত করে মুখ্যমন্ত্রী জানান, সাধারণ মানুষের সমস্যার কথা সরাসরি জানানোর জন্য বিশেষ মোবাইল নম্বর এবং ইমেল ব্যবস্থা চালু করা হবে। কেউ কোনও সমস্যা বা অভিযোগের মুখে পড়লে সরাসরি তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারবেন বলেও জানান শুভেন্দু।সভা থেকে সিন্ডিকেট রাজ, তোলাবাজি এবং গুন্ডাবাজির বিরুদ্ধেও কড়া বার্তা দেন তিনি। শুভেন্দুর দাবি, বিজেপি শাসিত রাজ্যগুলিতে এই ধরনের ঘটনা হয় না এবং ভবানীপুরেও তা হতে দেওয়া হবে না।এদিন শুভেন্দু আরও দাবি করেন, ভবানীপুরে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যে মিত্র ইনস্টিটিউশন বুথে ভোট দেন, সেই চারটি বুথেই তিনি লিড পেয়েছেন। এখানেই থামেননি তিনি। প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীকে কটাক্ষ করে বলেন, যিনি নিজের বুথেই জিততে পারেন না, বাংলার মানুষ তাঁকে পথ দেখিয়ে দিয়েছে। টাটা বাই বাই, আপনার রাজনীতির দিন শেষ, সভা থেকে এমন মন্তব্যও করেন শুভেন্দু অধিকারী।কলকাতার মেয়র ফিরহাদ হাকিমকেও নিশানা করেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর দাবি, চেতলা গার্লস স্কুলের পাঁচটি বুথেও বিজেপি লিড পেয়েছে।শেষে ভবানীপুরের মানুষকে ধন্যবাদ জানিয়ে শুভেন্দু বলেন, মানুষের এই সমর্থনের ঋণ তিনি শোধ করবেন। আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই এলাকার উন্নয়ন এবং মানুষের প্রতিশ্রুতি পূরণের কাজ শুরু হবে বলেও জানান তিনি।

মে ১৮, ২০২৬
কলকাতা

“পুলিশের গায়ে হাত পড়লে ছাড় নয়”, পার্ক সার্কাস কাণ্ডে কড়া শুভেন্দু

পার্ক সার্কাসে পুলিশের উপর হামলার অভিযোগের পর কড়া বার্তা দিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। রবিবার প্রতিবাদ কর্মসূচির সময় পুলিশকে লক্ষ্য করে ইট ছোড়া হয়েছিল বলে অভিযোগ ওঠে। সেই ঘটনার ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই সোমবার সকালে সাউথ ইস্ট ডিভিশনের ডেপুটি কমিশনারের দপ্তরে যান মুখ্যমন্ত্রী।সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে শুভেন্দু অধিকারী স্পষ্ট ভাষায় জানান, পুলিশের উপর কোনও ধরনের হামলা বরদাস্ত করা হবে না। তিনি বলেন, পাথর ছোড়া শ্রীনগরেও বন্ধ হয়েছে। কলকাতাতেও বন্ধ হওয়া দরকার। যদি কেউ মনে করেন আগের সরকারের মতো পুলিশকে হাত-পা বেঁধে রাখা হবে, তাহলে ভুল ভাবছেন।মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্য, গুণ্ডামি বা অসামাজিক কাজকর্মের বিরুদ্ধে সরকার কড়া পদক্ষেপ নেবে। পুলিশমন্ত্রী হিসেবেও তিনি স্পষ্ট করে বলেন, পুলিশের গায়ে হাত পড়লে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। শুধু গ্রেপ্তার নয়, অভিযুক্তদের শাস্তি নিশ্চিত করতেও সরকার নজর রাখবে।শুভেন্দু আরও বলেন, পুলিশ আহত হবে আর মুখ্যমন্ত্রী এসি ঘরে বসে থাকবে, সেই দিন শেষ। কোনও পুলিশ কর্মী আক্রান্ত হলে আমি নিজে বিষয়টি দেখব এবং দোষীদের বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা নেওয়া হবে।রাজ্যের রাজনৈতিক মহলের মতে, এই বক্তব্যের মাধ্যমে পুলিশকে আরও সক্রিয়ভাবে কাজ করার বার্তা দিলেন মুখ্যমন্ত্রী। অতীতে রাজ্যে একাধিকবার পুলিশের উপর হামলার ঘটনা ঘটেছে। তৃণমূল আমলেও বিভিন্ন ঘটনায় পুলিশকে ইটবৃষ্টির মুখে পড়তে হয়েছিল। এমনকি সেই সময় এসআই তাপস চৌধুরীর মৃত্যুর ঘটনাও বড় বিতর্ক তৈরি করেছিল।প্রাক্তন ডেপুটি পুলিশ কমিশনার সত্যজিৎ বন্দ্যোপাধ্যায়ও জানিয়েছেন, সংবিধানের ১৪ নম্বর অনুচ্ছেদ অনুযায়ী আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করা সরকারের দায়িত্ব। কেউ যদি পুলিশের উপর হামলা চালায় বা সরকারি কাজে বাধা দেয়, তাহলে তাঁর বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

মে ১৮, ২০২৬
কলকাতা

লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের পর এবার অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার! মাসে ৩ হাজার টাকা পাবেন কারা?

অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার প্রকল্প নিয়ে বড় সিদ্ধান্ত নিল রাজ্য মন্ত্রিসভা। সোমবার নবান্নে বিজেপি সরকারের দ্বিতীয় মন্ত্রিসভার বৈঠকে এই প্রকল্পে নীতিগত অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। বৈঠকের পর পুর ও নগরোন্নয়ন মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল জানান, খুব শীঘ্রই অন্নপূর্ণা ভাণ্ডারের জন্য একটি পোর্টাল চালু করা হবে। তারপরই প্রকল্পটি কার্যকর করা হবে।রাজ্য সরকার স্পষ্ট জানিয়েছে, যাঁরা বর্তমানে লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের টাকা পাচ্ছেন, তাঁরা সকলেই অন্নপূর্ণা ভাণ্ডারের আওতায় আসবেন। তাঁদের প্রত্যেকের অ্যাকাউন্টে মাসে মাসে ৩ হাজার টাকা করে দেওয়া হবে। এছাড়াও সরকারের কাছে জমা পড়ে থাকা প্রায় ৯১ লক্ষ আবেদন খতিয়ে দেখা হচ্ছে। সমীক্ষার ভিত্তিতে নতুন উপভোক্তাদেরও অন্তর্ভুক্ত করা হবে বলে জানা গিয়েছে।মন্ত্রিসভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, যাঁরা সিএএ-র জন্য আবেদন করেছেন, তাঁরাও এই প্রকল্পের সুবিধা পাবেন। পাশাপাশি ট্রাইবুনালে আবেদনকারীদেরও অন্নপূর্ণা ভাণ্ডারের আওতায় আনা হবে বলে জানানো হয়েছে। তবে কারা এই প্রকল্পের সুবিধা পাবেন না, সেই বিষয়ে এখনও বিস্তারিত কিছু জানায়নি সরকার।সরকারি সূত্রে খবর, যাঁরা এখনও লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের উপভোক্তা নন, তাঁদের আলাদা করে আবেদন করতে হবে। নতুন পোর্টাল চালু হওয়ার পর সেখানে নাম নথিভুক্তির সুযোগ থাকবে।এদিনের মন্ত্রিসভার বৈঠকে সপ্তম পে কমিশন, ধর্মীয় ভাতা-সহ একাধিক গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। সেই বৈঠকের পরই নারী ও শিশুকল্যাণ মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল ঘোষণা করেন, আগামী ১ জুন থেকেই অন্নপূর্ণা ভাণ্ডারের সুবিধা চালু করার প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে।রাজ্যে সরকার বদলের পর মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী আগেই জানিয়েছিলেন, কোনও সামাজিক প্রকল্প বন্ধ করা হবে না। বরং সাধারণ মানুষের সুবিধার জন্য আরও নতুন প্রকল্প আনা হবে। অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার নিয়ে সরকারের এই ঘোষণা ঘিরে ইতিমধ্যেই রাজ্যজুড়ে জোর চর্চা শুরু হয়েছে।

মে ১৮, ২০২৬
ব্যবসা

১০০ টাকার পথে ডলার? টাকার নতুন রেকর্ড পতনে চাপে দেশবাসী

সোমবার বাজার খুলতেই ফের বড় ধাক্কা খেল ভারতীয় টাকা। এক মার্কিন ডলারের দাম পৌঁছে গেল ৯৬ টাকা ২৫ পয়সায়। এর ফলে টাকার দাম আরও ৪৪ পয়সা কমে সর্বকালীন রেকর্ড পতন ঘটল। অর্থনীতিবিদদের মতে, মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতি এবং আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম বেড়ে যাওয়ার কারণেই টাকার উপরে চাপ ক্রমশ বাড়ছে।গত ৪ মার্চ প্রথমবার যুদ্ধ পরিস্থিতির প্রভাবে ডলারের দাম ৯২ টাকার গণ্ডি পেরিয়ে যায়। তখন এক ডলারের দাম হয়েছিল ৯২ টাকা ১৭ পয়সা। তারপর থেকেই টাকার দামে একের পর এক পতন দেখা যাচ্ছে। গত ১২ মে এক ডলারের দাম পৌঁছেছিল ৯৫ টাকা ৫৮ পয়সায়। এবার সেই রেকর্ডও ভেঙে সোমবার টাকার দাম নেমে দাঁড়াল ৯৬ টাকা ২৫ পয়সায়।বিশেষজ্ঞদের মতে, ইরান এবং আমেরিকার সংঘাতের কারণে আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম দ্রুত বেড়েছে। তার সরাসরি প্রভাব পড়ছে ভারতের অর্থনীতিতে। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে যৌথ হামলা চালায় আমেরিকা এবং ইজরায়েল। দীর্ঘ সংঘর্ষের পর আপাতত যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হলেও পরিস্থিতি এখনও পুরোপুরি স্বাভাবিক হয়নি। হরমুজ প্রণালী ঘিরে জ্বালানি সরবরাহে অনিশ্চয়তা তৈরি হওয়ায় বিশ্বজুড়ে উদ্বেগ বাড়ছে। ভারতও তার প্রভাব থেকে বাদ যাচ্ছে না।তবে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে কেন্দ্রীয় সরকার এবং ভারতীয় রিজার্ভ ব্যাঙ্ক সক্রিয় হয়েছে বলেই জানা গিয়েছে। অর্থনৈতিক চাপ সামলাতে একাধিক পদক্ষেপের প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে।এদিন শুধু টাকার দামই নয়, বড় ধাক্কা খেয়েছে দেশের শেয়ার বাজারও। বাজার খোলার পর প্রায় ৯৫০ পয়েন্ট পড়ে যায় সেনসেক্স। একইসঙ্গে বড় পতন দেখা যায় নিফটিতেও। যদিও পরে কিছুটা ঘুরে দাঁড়ায় বাজার। সকাল সাড়ে ১০টা নাগাদ বিএসই সেনসেক্স ৬৪৫ পয়েন্ট কমে দাঁড়ায় ৭৪ হাজার ৫৯২ দশমিক ৯৯-এ। নিফটি ২০৬ পয়েন্ট নেমে দাঁড়ায় ২৩ হাজার ৪৩৭ দশমিক ২০-এ। ব্যাঙ্ক নিফটিতেও বড় ধস দেখা যায়। প্রায় ৬৮৫ পয়েন্ট কমে ব্যাঙ্ক নিফটির অবস্থান হয় ৫৩ হাজার ২৪ দশমিক ৭৫।অর্থনীতিবিদদের আশঙ্কা, আন্তর্জাতিক পরিস্থিতি দ্রুত স্বাভাবিক না হলে আগামী দিনে টাকার উপরে আরও চাপ বাড়তে পারে। ফলে সাধারণ মানুষের খরচ থেকে শুরু করে আমদানি, জ্বালানির দাম এবং বাজারের উপরেও তার বড় প্রভাব পড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

মে ১৮, ২০২৬
রাজ্য

বৃষ্টি বিদায়, ফিরছে ভয়ংকর গরম! জৈষ্ঠ্য পড়তেই হাঁসফাঁস অবস্থা দক্ষিণবঙ্গে

মে মাসের শুরুতে টানা মেঘলা আকাশ, ঝড়-বৃষ্টি এবং ঠান্ডা হাওয়ার জেরে দক্ষিণবঙ্গের তাপমাত্রা অনেকটাই স্বাভাবিকের নীচে ছিল। সন্ধে নামলেই একাধিক জেলায় শুরু হচ্ছিল ঝড়-বৃষ্টি। ফলে বৈশাখের তীব্র গরম থেকে খানিকটা স্বস্তি পেয়েছিল রাজ্যবাসী। কিন্তু জৈষ্ঠ্য মাস পড়তেই বদলাতে শুরু করেছে আবহাওয়া। ধীরে ধীরে বাড়ছে গরম এবং অস্বস্তি।আবহাওয়া দপ্তর জানিয়েছে, এই সপ্তাহে দক্ষিণবঙ্গে তাপমাত্রা আরও বাড়তে পারে। কলকাতার তাপমাত্রা আপাতত ৩৬ থেকে ৩৭ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে থাকবে। দক্ষিণবঙ্গের বেশিরভাগ জেলাতেই সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৩৬ থেকে ৩৮ ডিগ্রির মধ্যে থাকার সম্ভাবনা রয়েছে। পশ্চিমের জেলাগুলিতে তাপমাত্রা প্রায় ৪০ ডিগ্রির কাছাকাছি পৌঁছে যেতে পারে বলেও পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে।কলকাতায় আপাতত বৃষ্টির সম্ভাবনা কম থাকলেও দক্ষিণবঙ্গের কয়েকটি জেলায় বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বিক্ষিপ্ত বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। পুরুলিয়া, বাঁকুড়া, পূর্ব ও পশ্চিম বর্ধমান, বীরভূম, মুর্শিদাবাদ, হুগলি এবং উত্তর ২৪ পরগনায় আগামী দুদিন ঝড়-বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে। তবে বৃষ্টি হলেও গরম এবং গুমোট অস্বস্তি থেকে খুব একটা স্বস্তি মিলবে না বলেই জানিয়েছে হাওয়া অফিস।অন্যদিকে উত্তরবঙ্গের আবহাওয়া একেবারেই আলাদা। দক্ষিণবঙ্গে যখন বাড়ছে গরম, তখন উত্তরবঙ্গের একাধিক জেলা ভাসছে বৃষ্টিতে। সোমবার এবং মঙ্গলবার হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টির সঙ্গে ঝড়ো হাওয়া বইতে পারে। বুধবার থেকে বৃষ্টির পরিমাণ আরও বাড়বে বলে পূর্বাভাস। বৃহস্পতিবার থেকে শনিবার পর্যন্ত উত্তরবঙ্গের বেশ কয়েকটি জেলায় ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।দার্জিলিং, কালিম্পং, আলিপুরদুয়ার, কোচবিহার এবং জলপাইগুড়িতে আগামী তিন দিন বিক্ষিপ্তভাবে ভারী বৃষ্টি হতে পারে। উত্তরবঙ্গের বাকি জেলাগুলিতেও বজ্রবিদ্যুৎ-সহ ঝড়-বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া দপ্তর।

মে ১৮, ২০২৬
রাজ্য

উদয়ন ঘনিষ্ঠদের একের পর এক গ্রেফতার! থানায় গিয়ে আত্মসমর্পণ করলেন দিনহাটার প্রাক্তন পৌরপ্রধান

দিনহাটা পুরসভার বিল্ডিং প্ল্যান দুর্নীতি মামলায় ফের বড় পদক্ষেপ করল পুলিশ। তৃণমূল নেতা তথা প্রাক্তন পৌরপ্রধান গৌরীশঙ্কর মাহেশ্বরী এদিন নিজে থেকেই দিনহাটা থানায় গিয়ে আত্মসমর্পণ করেন। এরপরই তাঁকে গ্রেফতার করে পুলিশ। গতকাল থেকেই তাঁকে খুঁজছিল তদন্তকারীরা।এর মাত্র ২৪ ঘণ্টা আগেই গ্রেফতার করা হয়েছিল উদয়ন গুহ ঘনিষ্ঠ তৃণমূল নেত্রী এবং দিনহাটা পুরসভার কর্মী মৌমিতা ভট্টাচার্যকে। জানা গিয়েছে, বৃহস্পতিবার পর্যন্ত তিনি পুরসভায় কাজ করছিলেন। অফিস থেকে বাড়ি ফেরার সময় পুলিশ তাঁকে আটক করে। এরপরই গৌরীশঙ্কর মাহেশ্বরীর বাড়িতে তল্লাশি চালানো হয়।পুলিশ সূত্রে খবর, গৌরীশঙ্কর মাহেশ্বরী দিনহাটা পুরসভার পৌরপ্রধান থাকাকালীন বিল্ডিং প্ল্যান অনুমোদন নিয়ে একাধিক অনিয়মের অভিযোগ সামনে আসে। পরে দলের চাপেই তিনি পৌরপ্রধান পদ থেকে ইস্তফা দেন বলে রাজনৈতিক মহলে দাবি।মৌমিতা ভট্টাচার্য এবং গৌরীশঙ্কর মাহেশ্বরী দুজনেই প্রাক্তন উত্তরবঙ্গ উন্নয়নমন্ত্রী উদয়ন গুহর ঘনিষ্ঠ বলেই পরিচিত। তাই তাঁদের গ্রেফতারের পর রাজনৈতিক মহলে নতুন করে জল্পনা শুরু হয়েছে। এই দুর্নীতির তদন্তে আরও কার নাম সামনে আসতে পারে, তা নিয়েও প্রশ্ন উঠছে।ভোটের ফল প্রকাশের পর থেকেই জেলায় উদয়ন গুহকে দেখা যাচ্ছে না বলে স্থানীয় রাজনৈতিক মহলে আলোচনা শুরু হয়েছে। এই মামলার তদন্তে তাঁর নাম জড়ায় কি না, তা নিয়েও বাড়ছে গুঞ্জন।অন্যদিকে, নদিয়াতেও তৃণমূলের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগে পদক্ষেপ করেছে পুলিশ। তোলাবাজির অভিযোগে গ্রেফতার করা হয়েছে কৃষ্ণনগর এক নম্বর পঞ্চায়েত সমিতির কৃষি কর্মাধ্যক্ষ সরজিৎ বিশ্বাসকে। তিনি দিগনগর গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রাক্তন প্রধানও ছিলেন।

মে ১৮, ২০২৬
কলকাতা

চাকরিপ্রার্থীদের ভিড়ে উপচে পড়ল জনতার দরবার! তারপরই নবান্নে শুভেন্দুর হাইভোল্টেজ বৈঠক

সোমবার নবান্নে বসছে বিজেপি সরকারের দ্বিতীয় মন্ত্রিসভার বৈঠক। তার আগেই সল্টলেকের দলীয় কার্যালয়ে জনতার দরবারে হাজির হলেন শুভেন্দু অধিকারী। সকাল সাড়ে ৯টা নাগাদ তিনি সেখানে পৌঁছন। উপস্থিত ছিলেন লকেট চট্টোপাধ্যায়ও। দলীয় কর্মী-সমর্থকরা শুভেন্দুকে স্বাগত জানান। এরপর সাধারণ মানুষের বিভিন্ন অভাব-অভিযোগ শুনতে শুরু করেন তিনি। প্রথম দিনেই সেখানে চাকরিপ্রার্থীদের ভিড় চোখে পড়ে।সূত্রের খবর, জনতার দরবার শেষ করেই শুভেন্দু অধিকারী নবান্নে যাবেন। এদিন মুখ্যমন্ত্রীর একাধিক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক রয়েছে। বিএসএফকে জমি হস্তান্তর-সহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে আলোচনা হওয়ার কথা। পাশাপাশি দ্বিতীয় মন্ত্রিসভার বৈঠকে আর জি কর কাণ্ড, নারী নির্যাতন, প্রাতিষ্ঠানিক দুর্নীতি, পে কমিশন এবং বকেয়া ডিএ নিয়ে আলোচনা হতে পারে বলেও জানা গিয়েছে।গত সপ্তাহেই বিজেপি সরকারের প্রথম মন্ত্রিসভার বৈঠকে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল। বিএসএফকে জমি হস্তান্তর, আয়ুষ্মান ভারত প্রকল্প-সহ বিভিন্ন কেন্দ্রীয় প্রকল্পে যুক্ত হওয়া, সরকারি চাকরিতে আবেদনের বয়সসীমা পাঁচ বছর বাড়ানো এবং অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার চালুর মতো সিদ্ধান্ত ঘোষণা করা হয়। তাই দ্বিতীয় মন্ত্রিসভার বৈঠকে নতুন কী ঘোষণা হতে পারে, তা নিয়ে আগ্রহ বাড়ছে সরকারি কর্মী থেকে সাধারণ মানুষের মধ্যে।মুখ্যমন্ত্রী আগেই জানিয়েছেন, সুশাসন এবং নিরাপত্তাকে গুরুত্ব দিয়েই এগোবে নতুন সরকার। পাশাপাশি কেন্দ্র ও রাজ্যের যৌথ প্রকল্পের সুবিধা সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়া হবে বলেও জানানো হয়েছে।সরকারি কর্মীদের সবচেয়ে বড় নজর এখন বকেয়া ডিএ এবং সপ্তম বেতন কমিশনের দিকে। আগের সরকারের সময় সুপ্রিম কোর্ট বকেয়া ডিএ মেটানোর নির্দেশ দিলেও পুরো টাকা এখনও মেলেনি। ২০১৬ থেকে ২০১৯ সালের একাংশের বকেয়া দেওয়া হলেও ২০০৮ থেকে ২০১৬ পর্যন্ত ডিএ এখনও বাকি রয়েছে।নতুন সরকার ক্ষমতায় আসার পর থেকেই সরকারি কর্মীদের মধ্যে আশা তৈরি হয়েছে যে, এবার হয়তো পুরো বকেয়া ডিএ মিটিয়ে দেওয়া হতে পারে। অর্থ দপ্তর সূত্রে খবর, কেন্দ্রীয় হারে ডিএ এবং নতুন বেতন কাঠামো নিয়েও ভাবনাচিন্তা শুরু হয়েছে। বিজেপির নির্বাচনী ইস্তেহারেও সপ্তম বেতন কমিশনের প্রতিশ্রুতি ছিল। সরকারি কর্মীদের দাবি, সপ্তম বেতন কমিশন চালু হলে তাঁদের বেতন অনেকটাই বাড়বে। তাই আজকের মন্ত্রিসভার বৈঠকের সিদ্ধান্তের দিকে তাকিয়ে রয়েছে গোটা রাজ্য।

মে ১৮, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal